ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০২০ ১২:২৭
সূত্র :

বিল গেটস-ওবামাসহ প্রভাবশালীদের টুইটার হ্যাকের তদন্তে এফবিআই

অনলাইন ডেস্ক
বিল গেটস-ওবামাসহ প্রভাবশালীদের টুইটার হ্যাকের তদন্তে এফবিআই

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ধনকুবের প্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব বিল গেটস, জেফ বেজোসসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীদের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই।

বিবিসি জানায়, ক্রিপ্টোকারেন্সি জালিয়াত চক্র এই হ্যাকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অনুমান করছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে টুইটার কর্তৃপক্ষকে এই ব্যাপারে বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কমার্স কমিটি।

সিনেট কমিটির প্রধান নিজেই টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

বুধবারের এই সাইবার হামলায় হ্যাক করা হয়েছে সামনের নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের টুইটার অ্যাকাউন্ট।

বাদ যাননি বিখ্যাত সব প্রযুক্তি উদ্যোক্তরাও। মাইক্রোসফট সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ছাড়াও আমাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের অ্যাকাউন্টও নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছিল হ্যাকাররা।

বিলিয়নিয়ার তারকা শিল্পী ক্যানি ওয়েস্ট ও তার স্ত্রী টিভি সেলিব্রিটি কিম কার্দাশিয়ানের অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যানি আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণা করেন।  

এমনকি প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়েছে। টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সবই ভুয়া টুইট। কোনওভাবে প্রভাবশালীদের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেছে। গোটা বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন রাজনীতিবিদেরাও এই ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট কতটুকু নিরাপত্তাহীন ছিল-এ নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন রিপাবলিকান সিনেটার জোস হাউলি।

তবে হোয়াইট হাউস জানায়, ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিমুক্ত ছিল।

হ্যাক হওয়া টুইটার অ্যাকাউন্টগুলোতে দেখা যায়, 'আমার বিটকয়েন অ্যাকাউন্টে প্রেরিত অর্থ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি এক হাজার ডলার পাঠান, ফিরে পাবেন দুই হাজার ডলার। এবং এটি করতে হবে পরবর্তী ৩০ মিনিটের মধ্যেও।'

সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কোম্পানি ক্রাউডস্ট্রাইকের সহপ্রতিষ্ঠাতা দিমিত্রি আলপেরোভিচ বলেন, কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হ্যাকের ঘটনা।

 

উপরে