ঢাকা, শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০২০ ১৫:৩২
সূত্র :

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মহাপরিচালক আবার তোপের মুখে

► সাহেদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক চুক্তি স্বাক্ষর, নিজেই তৈরি করে নিয়ে এসেছিলেন কাগজপত্র ► মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সুপারিশ আসে
অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মহাপরিচালক আবার তোপের মুখে

দশেে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর সঠকি প্রস্তুতি ও পরকিল্পনা গ্রহণ কংিবা নর্দিশেনা বাস্তবায়নে র্ব্যথতার অভযিোগ জোরালো হয়ে ওঠে গোড়া থকেইে। সইে সঙ্গে যুক্ত হয় চকিৎিসকদরে ব্যক্তগিত সুরক্ষা সামগ্রীর (পপিইি) সংকট এবং তা কনোকাটা নয়িে র্দুনীতরি অভযিোগ। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় বহু রকমরে ঘাটতি ও রোগীদরে ভোগান্তরি কারণে চকিৎিসা নয়িে সমালোচনা তরৈি হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থকেে শুরু করে স্বাস্থ্য অধদিপ্তর বভিন্নি মহলরে তোপরে মুখে পড়।ে এমন পরস্থিতিরি মধ্যইে র্সবশষে যোগ হয়ছেে স্বাস্থ্য অধদিপ্তর থকেে অনুমতি দওেয়া দুটি প্রতষ্ঠিানরে ভুয়া পরীক্ষা বা পরীক্ষা না করইে কভডি-১৯ সনদ দওেয়া এবং বনিমিয়ে মানুষরে কাছ থকেে বপিুল পরমিাণ র্অথ হাতয়িে নওেয়ার ঘটনা।

বহুল আলোচতি রজিন্টে গ্রুপরে দুটি হাসপাতালে র‌্যাবরে অভযিানরে মধ্য দয়িে আবারও ব্যাপকভাবে প্রশ্নবদ্ধি হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধদিপ্তররে ভূমকিা। এ ধরনরে প্রতষ্ঠিানকে মানুষরে সঙ্গে প্রতারণা করার সুযোগ করে দওেয়া, অপর্কমে প্রশ্রয় দওেয়া বা নয়িন্ত্রণ করতে না পারার জন্য সাধারণ মানুষ থকেে শুরু করে স্বাস্থ্য খাতরে বশিষেজ্ঞদরে তোপরে মুখে পড়ছেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহদি মালকে স্বপন এবং স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে মহাপরচিালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এ ধরনরে ঘটনার জন্য তাঁদরে আশ্রয়-প্রশ্রয় ও ব্যবস্থাপনার ক্ষত্রেে নানা র্ব্যথতাকইে দায়ী করা হচ্ছ।ে

জাতীয় জনস্বাস্থ্য আন্দোলনরে সভাপতি ও বাংলাদশে মডেক্যিাল অ্যাসোসয়িশেনরে (বএিমএ) সাবকে সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশদি-ই-মাহবুব কালরে কণ্ঠকে বলনে, ‘স্বাস্থ্য খাতে র্দুবৃত্তায়ন এখন চরম আকার ধারণ করছে।ে কছিুতইে যনে তা নয়িন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মন্ত্রী কংিবা মহাপরচিালক তাঁরা এ ক্ষত্রেে চরমভাবে র্ব্যথতার পরচিয় দচ্ছিনে। এমন পরস্থিতিি আমরা কোনোভাবইে আশা করি না।’ তনিি আরো বলনে, ‘সমাজরে র্দুবৃত্ত মানুষগুলো বরাবরই রাষ্ট্ররে যকেোনো সামাজকি-রাজনতৈকি র্দুযোগ-র্দুবপিাকরে অপক্ষোয় ঘাপটি মরেে থাক,ে যারা এই র্দুযোগরে সময়টাকে মোক্ষম সুযোগ হসিবেে র্দুবৃত্তায়নরে জন্য কাজে লাগয়িে নজিদেরে আখরে গুছয়িে নয়ে। এ ক্ষত্রেে পুরো পরস্থিতিি নয়িন্ত্রণরে দায়ত্বি যাদরে কাছে থাকে তাদরেও এই বষিয়গুলো মাথায় রখেে কাজ করা দরকার। এবার করোনাভাইরাস মোকাবলোয় শুরু থকেইে একটি র্দুবৃত্তচক্র সক্রয়ি হয়ে স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে ঘাড়ে ভর করছে।ে সইে সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতরে পুরনো র্দুবৃত্তচক্রগুলো আরো শক্তশিালী হয়ে ঢুকে পড়ছেে এ খাতরে নানা র্পযায়।ে সাহদেদরে মতো প্রতারক-বাটপাররাও এই সুযোগ নয়িইে ঢুকে পড়ছেে স্বাস্থ্য খাত।ে যারা তাদরে জায়গা করে দয়িছেে তারা এর দায় এড়াতে পারে না।’

বএিমএর মহাসচবি ও স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে সাবকে অতরিক্তি মহাপরচিালক অধ্যাপক ডা. এহতশোমুল হক চৌধুরী দুলাল কালরে কণ্ঠকে বলনে, ‘আমাদরে কাছে পুরো বষিয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছ।ে নজিরোই খুব লজ্জতি হচ্ছ।ি স্বাস্থ্য খাতে যভোবে একরে পর এক অপর্কমরে ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছ,ে তাতে শুধু স্বাস্থ্য খাতরেই নয়, সরকাররেও প্রচণ্ড রকম ভাবর্মূতি নষ্ট হচ্ছ।ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে মহাপরচিালক তাঁদরে দায়ত্বিহীনতা ও র্ব্যথতার মাসুল দতিে হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত থকেে শুরু করে সরকারক।ে তাঁরা যমেন স্বাস্থ্য খাতরে র্দুনীতি বন্ধ করতে পারছনে না বরং নজিরোও র্দুনীতকিে প্রশ্রয় দচ্ছিনে বলে মানুষরে মনে সন্দহে জাগছ,ে তমেনি তাঁরা করোনাভাইরাস মোকাবলোয় পরস্থিতিি নয়িন্ত্রণে এখন র্পযন্ত র্কাযকর কোনো অগ্রগতি দখোতে পারছনে না। বরং নানামুখী বশিৃঙ্খলা চলছইে।’ এর নপেথ্যে কী আছে সইে বষিয়গুলো সরকাররে উচ্চ র্পযায় থকেে খুঁজে দখো দরকার বলে তনিি মনে করনে।

এদকিে স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে মহাপরচিালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ রজিন্টে হাসপাতালসহ আরকেটি প্রতষ্ঠিানরে প্রতারণার বষিয়ে কালরে কণ্ঠকে বলনে, ‘মোহাম্মদ সাহদে বা রজিন্টে হাসপাতাল একাধারে রোগী ও সাধারণ মানুষসহ স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে সঙ্গে প্রতারণা করছেে বলইে আমরা তার প্রতষ্ঠিানরে বরিুদ্ধে ব্যবস্থা নতিে প্রশাসনকে অবহতি করছে।ি আকস্মকি অভযিান এরই ফল।’ তনিি বলনে, ‘সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষররে আগে মোহাম্মদ সাহদেকে আমি টলেভিশিন ছাড়া কখনো দখেনেি বা চনিতাম না; যদওি পরে কয়কেবার আমার দপ্তরে এসছেে এবং বভিন্নি প্রভাবশালীর রফোরন্সে ব্যবহার করছে।ে’

নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে হাসপাতাল শাখার এক র্কমর্কতা কালরে কণ্ঠকে বলনে, গত ২১ র্মাচ স্বাস্থ্য অধদিপ্তরে আন্ত মন্ত্রণালয় সভা হয়। সভা শষেে অধদিপ্তররে সভাকক্ষ থকেে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তৎকালীন স্বাস্থ্যসবো বভিাগরে সচবিসহ একাধকি চকিৎিসক নতো স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে মহাপরচিালকরে সঙ্গে তাঁর কক্ষে যান। ওই সময় সাহদেও মন্ত্রী ও সচবিরে পছেনে পছেনে ওই কক্ষে ঢোকনে। আগইে হাতে করে চুক্তপিত্র তরৈি করে নয়িে এসছেলিনে সাহদে। হাসপাতাল শাখার পরচিালক ডা. আমনিুল হাসানও ছলিনে সখোন।ে ওই কক্ষে একটি টবেলিে বসইে তাত্ক্ষণকি মন্ত্রী, সচবি ও মহাপরচিালকরে উপস্থতিতিে চুক্তি স্বাক্ষরতি হয়। তখন সাহদেরে সঙ্গে আসা কয়কেজন ছবওি তোলনে। প্রক্রয়িাটি শষে হতে পাঁচ থকেে সাত মনিটি লগেছে।ে পরে হাসপাতাল শাখার পরচিালক এক দফা রজিন্টে হাসপাতাল পরর্দিশন করনে। তখন র্পযন্ত দৃশ্যত সব কছিু ঠকিঠাক দখো গছে।ে কন্তিু মাসখানকে যতেে না যতেইে সাহদে চুক্তরি র্শত ভঙ্গ করে রোগীদরে কাছ থকেে বলি নতিে শুরু করনে। বষিয়টি জানতে পরেে মে মাসে স্বাস্থ্য অধদিপ্তর তাঁকে মৌখকিভাবে সর্তক করে দয়ে। এর পরই সাহদে স্বাস্থ্য অধদিপ্তররে কাছে বলি চাইতে শুরু করনে এবং নানা জায়গা থকেে প্রভাবশালী ব্যক্তকিে ফোন করয়িে চাপ দতিে থাকনে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধদিপ্তর রজিন্টেরে বরিুদ্ধে পরীক্ষা না করইে ভুয়া রপর্িোট দওেয়ার অভযিোগরে বষিয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহনিীকে অবহতি কর।ে অন্যদকিে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহনিীর কাছওে আলাদাভাবে সাধারণ মানুষরে কাছ থকেে অভযিোগ আসতে থাক।ে এর ভত্তিতিইে কয়কে দনি আগে স্বাস্থ্য অধদিপ্তর ও র‌্যাবরে টমি যৌথভাবে উত্তরা ও মরিপুরে রজিন্টে হাসপাতালে অভযিান চালায়।

করোনা মোকাবলোয় স্বাস্থ্যসবো বভিাগরে ভূমকিা নয়িে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে জুনরে প্রথম সপ্তাহে ওই বভিাগরে সচবি মো. আসাদুল ইসলামকে বদলি করে পরকিল্পনা বভিাগরে সচবি করা হয়। এরপর একই বভিাগরে দুজন অতরিক্তি সচবিকওে বদলি করা হয়।

জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহদি মালকে বলনে, ‘করোনা মোকাবলো একক কোনো মন্ত্রণালয় বা প্রতষ্ঠিানরে কাজ নয়। এতে আরো অনকে মন্ত্রণালয়রে পারস্পরকি সহযোগতিার দরকার হয়। কন্তিু আমরা প্রত্যাশতি হারে সইে সহযোগতিা পাচ্ছি না। অথচ কোনো সমস্যা দখো দলিইে সব দায় আমার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়রে ওপরে এসে পড়।ে’ তনিি বলনে, ‘রজিন্টে হাসপাতাল বা মোহাম্মদ সাহদেরে প্রতারণার দায়ও আমাদরে ওপর চাপানোর চষ্টো করা হচ্ছ।ে কন্তিু আমি তো ওই লোককে চনিইি না। সে তখন ভালো ভালো কথা বলে আমাদরে সঙ্গওে তো প্রতারণা করছে।ে আমরা তখন যহেতেু কোনো বসেরকারি হাসপাতালকে পাচ্ছলিাম না চকিৎিসার জন্য, তখন এই হাসপাতালটি পয়েে তাদরে অনুমতি দয়িছে।ি ওই ব্যক্তি আমাদরে সঙ্গে প্রতারণার আগইে সমাজরে আরো অনকে ব্যক্তি ও প্রতষ্ঠিানরে সঙ্গে প্রতারণা করছে,ে তা এখন বরে হচ্ছ।ে প্রতারকরে প্রতারণা কউে আগে বুঝতে পারলে তবে কউে প্রতারতি হয় না। যখন তার প্রতারণা ধরা পড়ছেে তখন তো আমাদরে পক্ষ থকেইে প্রশাসনরে সহায়তায় ব্যবস্থা নতিে হয়ছে।ে’

উপরে