যে কারণে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

চীনরে উহান প্রদশে থকেে ছড়য়িে পড়া করোনাভাইরাসে সারা পৃথবিীতে যখন র্আথকি মন্দার প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছ,ে ঠকি তখন বাংলাদশেরে প্রবাসীরা বভিন্নি দশে থকেে রর্কেড পরমিাণ রমেট্যিান্স পাঠয়িছেনে। এ নয়িে সরকাররে উচ্চমহলে অনকেটা স্বস্তওি লক্ষ করা গছে।ে গত র্মাচ মাস থকেে রমেট্যিান্স প্রবাহ নম্নিমুখী থাকায় অনকেে এ নয়িে সর্তকর্বাতাও দয়িছেলিনে। কন্তিু সব হসিাব পাল্টে দয়িে গত জুন মাসে রর্কেড পরমিাণ রমেট্যিান্স এসছে,ে যা র্অথনতৈকি বশ্লিষেকরা সর্তকভাবইে দখেছনে।
তারা বলছনে, জুন মাসে সবচয়েে বশেি রমেট্যিান্স এসছেে সৌদি আরব থকে।ে অথচ দশেটি লকডাউন অবস্থা কাঠয়িে সবে মাত্র স্বাভাবকি হতে শুরু করছে।ে তাই এ অবস্থায় রর্কেড রমেট্যিান্স আসাকে কাজ খুলে যাওয়ার প্রভাব হসিবেে দখেছনে কউে কউে। আবার অনকেে বলছনে, মন্দার কারণে বভিন্নি দশেে বাংলাদশেদিরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বনিয়িোগ প্রত্যাহার করে দশেে স্থানান্তর করা হচ্ছ।ে মূলত এ কারণইে জুনে বশেি রমেট্যিান্স আসছ।ে যটো সামনরে দু-এক মাস র্পযবক্ষেণ করা ছাড়া এর মূল কারণ এখনই বোঝা যাবে না।
জানা যায়, করোনার কারণে কাজ হারয়িে দশিাহারা হয়ে পড়ছেনে বভিন্নি দশেে অবস্থানরত প্রবাসীরা। এ সময় করোনার বস্তিার রোধে সবকছিু বন্ধ রাখার সদ্ধিান্ত নয়িছেলি ছোট-বড় প্রায় সব প্রতষ্ঠিান। কাজর্কম ফলেে নজি আবাসইে কোয়ারন্টোইনে এখনো আছনে লাখ লাখ প্রবাসী। মধ্যপ্রাচ্যরে দশেগুলোতে বকোর হয়ে দশেে ফরোর অপক্ষোয় যারা আছনে, তাদরে সংখ্যাও কম নয়। দশেরে প্রধান শ্রমবাজার সৌদি আরবরে প্রবাসীরা করোনাকালে সবচয়েে নাজুক অবস্থায় পড়ছেনে। ঠকি তখনই দশেটি থকেে রমেট্যিান্স এসছেে র্সবােচ্ছ। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছেে একই রমেট্যিান্সরে র্ঊধ্বমুখতিা, নাকি প্রবাসীদরে ঘরে ফরোর আয়োজন।
সোদি প্রবাসী পরচিালতি একটি গণমাধ্যম সূত্র জানায়, সৌদি আরবরে পরস্থিতিি যদেকিে যাচ্ছ,ে তাতে চাকরি কংিবা ব্যবসা থাকবে বলে মনে হচ্ছে না। ব্যয় সংকোচনরে অংশ হসিবেে বদিশেি শ্রমকিদরে দশেে ফরেত পাঠানো হতে পার।ে এজন্য র্দীঘদনিরে সঞ্চয় ও ব্যবসার পুঁজি দশেে পাঠানোর চষ্টো করছনে তারা। আর আমরেকিা ও ইউরোপরে দশেগুলোয় বসবাসকারীরা বলছনে, দশেে থাকা স্বজনদরে আয় নইে। এজন্য তারা ধার করে হলওে দশেে টাকা পাঠানোর চষ্টো করছেনে। দশেে সবচয়েে বশেি রমেট্যিান্স আসে সৌদি আরব থকে।ে গত মে মাসে দশেটি থকেে রমেট্যিান্স এসছেে রর্কেড ৩৮০ মলিয়িন ডলার। জুনে এসে সে রর্কেডও ছাড়য়িে যায়। গত মাসে দশেটি থকেে রমেট্যিান্স এসছেে ৪৫০ মলিয়িন ডলাররেও বশে।ি যদওি গত র্মাচ থকেে সৌদি আরবে ছলি টানা দুই মাসরে লকডাউন। এ সময়ে নত্যিপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া সব শ্রণেরি দোকানপাট ছলি বন্ধ। যানবাহন ও যাতায়াতে আরোপ করা হয়ছেলি কঠোর নষিধোজ্ঞা। এ অবস্থায় ঘরে বসে থাকা প্রবাসীরা হঠাৎ করে কোথা থকেে এত র্অথ দশেে পাঠাচ্ছনে?
এমন প্রশ্নরে জবাবে দশেটরি জদ্দোয় বসবাসকারী বাংলাদশেি মাহবুবুর রহমান বলনে, এখানে একটি ইলকেট্রকি পণ্যরে দোকান আছে আমার। র্মাচরে মাঝামাঝি থকেে মধ্য জুন র্পযন্ত টানা দোকান বন্ধ ছলি। মাঝমেধ্যে সীমতি পরসিরে খুললওে তাতে দনৈন্দনি খরচ উঠে আসনে।ি সরকার জুনরে মাঝামাঝি স্বাভাবকি পরস্থিতিি ঘোষণা করছে।ে দোকানপাট খুলছে।ে হাতে যা সঞ্চয় ছলি, তার সঙ্গে গত দুই সপ্তাহে বক্রিি হওয়া পণ্যরে সব র্অথ দশেে পাঠয়িে দয়িছে।ি এ দশেে কত দনি থাকতে পারব, তা জানা নইে। পরস্থিতিি যা, তাতে সহসা দশেে ফরিতে হতে পার।ে মাহবুবুর রহমানরে গল্পই সৌদি আরবে বসবাসকারী সংিহভাগ বাংলাদশেরি পরস্থিতি।ি সৌদি আরবরে দাম্মাম শহরে একজন প্রতষ্ঠিতি সুপারশপ ব্যবসায়ী শফউিল বাশার মুকুল পাটওয়ারী। তনি দশকরেও বশেি সময় ধরে সখোনে ব্যবসা করনে তনি।ি ব্যবসার সুবাধে পরবিাররে সবাইকে নয়িে যান সখোন।ে বশে ভালোই ছলিনে। কন্তিু ২০১৭ সালে সৌদি সরকাররে পরর্বিততি আইনকানুন তার ব্যবসায় ব্যাপক প্রভাব ফলে।ে প্রবাসী ব্যবসায়ীদরে ট্যাক্স, লভিংি কস্ট ও শ্রমকি খরচ বড়েে যাওয়ায় একর্পযায়ে নজিরে ব্যবসা ছোট করে ফলেছেনে তনি।ি দশেে চলে আসবনে বলে একে একে পরবিাররে সবাইকে দশেে পাঠয়িে দনে এই প্রবাসী। র্বতমানে সামান্য বনিয়িোগ করে কোনো রকম ব্যবসা আছে সখোন।ে বাকি ব্যবসার র্অথ দশেে পাঠয়িে দয়িছেনে। র্সবশষে করোনা মহামারতিে সৌদি আরব কঠোর হওয়ায় ব্যবসা বন্ধ করে নজিওে দশেে চলে এসছেনে। মুকুলরে মতো সৌদি আরব থকেে দশেে ফরিে ব্যবসা করার চন্তিা করছনে দাম্মামরে ব্যবসায়ী রানা রহমানও। রস্টেুরন্টে ব্যবসায় সুদনি হারয়িে এই বাংলাদশেি এখন দশেে ফরোর তোড়জোড় শুরু করছেনে।
একই পরস্থিতিি মধ্যপ্রাচ্যরে অন্যান্য দশেে অবস্থানকারী বাংলাদশেদিরেও। শ্রমবাজারে সংকট এবং করোনা মহামাররি শকিার ওমানে কয়কে হাজার বাংলাদশেি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তারা জানান, ওমানে ব্যবসা-বাণজ্যি সংকুচতি হওয়া, বাসাভাড়া, দোকান-ভাড়া, র্সাভসি র্চাজ, র্কমচারীদরে বতেন দওেয়া এখন সবচয়েে বড় সমস্যা। ওমানরে মাস্কাট শহরে বসবাসরত বশে কয়কেজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গছে,ে করোনা পরস্থিতিরি কারণে ওমানে যারা র্দীঘদনি সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবসা করছলিনে, তারা এখন বশে চ্যালঞ্জেরে মুখ।ে ওমানরে সালালাহ শহরে টইেলারংিয়রে ব্যবসা করনে করমি শখে। প্রতি মাসে অন্তত চার-পাঁচ লাখ টাকা উর্পাজন করতনে তনি।ি করোনার কারণে ওমানে র্পযটক প্রবশে করতে না পারায় চার মাস ধরে ব্যবসায় মন্দা ভাব। সালালাহ শহরে দড়ে শতাধকি টইেলারংিয়রে ব্যবসা রয়ছেে বাংলাদশেদিরে। করোনা মহামাররি প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যরে অন্যতম শ্রমবাজার কুয়তে ও কাতার আরব আমরিাতওে লগেছে।ে এদকিে বাংলাদশেরে ইতহিাসে র্সবােচ্চ রমেট্যিান্স এসছেে জুন।ে গত মাসে প্রবাসীরা দশেে পাঠয়িছেনে ১৮৩ কোটি ২৫ লাখ ডলার। বাংলাদশেি মুদ্রায় যার পরমিাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯ সালরে জুনে দশেে রমেট্যিান্স এসছেলি ১৩৬ কোটি ৮২ লাখ ডলার। সে হসিবেে গত মাসে রমেট্যিান্সরে প্রবৃদ্ধি হয়ছেে প্রায় ৩৪ শতাংশ। প্রবাসীদরে পাঠানো এ রজর্িাভরে ওপর ভর করে এক মাসইে দশেরে বদৈশেকি মুদ্রার রজর্িাভ দুই বলিয়িন ডলাররে বশেি বড়েছে।ে গত বৃহস্পতবিার রজর্িাভরে পরমিাণ ছলি ৩৬ দশমকি ১৪৪ বলিয়িন ডলার। বধ্বিস্ত র্অথনীততিে হঠাৎ করইে রজর্িাভ বৃদ্ধরি সংবাদে উচ্ছ্বসতি সরকার ও বাংলাদশে ব্যাংক।
উপসাগরীয় যুদ্ধরে সময়রে উদাহরণ টনেে বশিষেজ্ঞরা বলনে, ১৯৯০ সালরে ২ আগস্ট হঠাৎ করইে ইরাকরে প্রসেডিন্টে সাদ্দাম হোসনে কুয়তে দখল করে ননে। ওই সময় কুয়তেে বসবাসকারী ফলিস্তিনিি ও র্জডানি প্রবাসীরা সাদ্দাম হোসনেরে পক্ষ নয়ে। যুদ্ধে সাদ্দাম হোসনে পরাজতি হলে ফলিস্তিনিি ও র্জডানি নাগরকিদরে কুয়তে ছাড়তে বলা হয়। প্রবাসীরা দশেে ফরিলওে র্জডানরে বদৈশেকি মুদ্রার রজর্িাভ তরতর করে বাড়তে থাক।ে বাংলাদশেরে র্বতমান পরস্থিতিকিে র্জডানরে পরস্থিতিরি সঙ্গে তুলনা করতে চান পলসিি রসর্িাচ ইনস্টটিউিটরে (পআিরআই) নর্বিাহী পরচিালক ও ব্র্যাক ব্যাংকরে চয়োরম্যান ড. আহসান এইচ মনসুর। উপসাগরীয় যুদ্ধরে সময় আর্ন্তজাতকি মুদ্রা তহবলিরে মধ্যপ্রাচ্যবষিয়ক বশিষেজ্ঞ ছলিনে তনি।ি তার মত,ে বাংলাদশেরে রমেট্যিান্স ও রজর্িাভ বৃদ্ধরি পরস্থিতিওি র্জডানরে মতোই। তবে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী বাংলাদশেরিা অপক্ষোকৃত নম্নিপদে চাকরি করনে। তাদরে হাতে খুব বশেি র্অথ নইে।
রয়িাদে বাংলাদশে দূতাবাসরে লবোর কাউন্সলির মহেদেী হাসান বলছনে, এমন প্রতকিূল পরস্থিতিতিওে রমেট্যিান্সরে র্ঊধ্বগতি হয়ছে,ে যা অনকেে চন্তিাই করতে পারনে।ি এটি বাংলাদশেরে জন্য স্বস্ত-িদায়ক। তবে এর কারণগুলো বলা খুব কঠনি। কারণ সময়টা আসলইে ভালো নয়। আমরা আগামী দু-তনি মাস র্পযবক্ষেণ করব। তারপরও হয়তো রমেট্যিান্সরে গতপ্রিকৃতি ও কারণগুলো সর্ম্পকে ধারণা করা সম্ভব হব।ে